ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উপস্থিত

This photo released by an official website of the office of the Iranian supreme leader, shows Supreme Leader Ayatollah Ali Khamenei in a televised speech, under a portrait of the late revolutionary founder Ayatollah Khomeini, Friday, June 13, 2025. (AP/PTI)(AP06_14_2025_000001B)

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই ৫ জুলাই শনিবার, ইসরায়েল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উপস্থিত হন। তিনি তেহরানে তাঁর অফিস ও বাসভবনের পাশে একটি মসজিদে আশুরার আগের রাতে অনুষ্ঠিত শোকানুষ্ঠানে অংশ নেন। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেখা যায়, খামেনেই ভক্তদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন এবং উপস্থিত জনতা স্লোগান দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন এবং নিরাপত্তা ছিল অত্যন্ত কঠোর।

যুদ্ধ চলাকালীন খামেনেই প্রকাশ্যে না আসায় তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে জোর আলোচনা হয়েছিল। জানা যায়, তিনি যুদ্ধের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন। যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও ইসরায়েলে ৫৫০টির বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করে, যার বেশিরভাগই প্রতিহত হলেও কিছু ক্ষয়ক্ষতি ও ২৮ জন নিহত হয়।

ইরান এই যুদ্ধে ৯০০ জনের বেশি নিহত ও হাজার হাজার আহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর গুরুতর ক্ষতির কথা নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের এসব স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।

আশুরা মুসলিম বিশ্বের শিয়া সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই দিনে ৭ম শতাব্দীতে মহানবী মুহাম্মদের দৌহিত্র ইমাম হোসেন কারবালার যুদ্ধে শহীদ হন, যা শিয়া-সুন্নি বিভাজনের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

বিভাগ: ব্রেকিং নিউজ

এসইও ট্যাগ: #স্বদেশী, #সংবাদ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উপস্থিত