নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আহ্বান জানিয়েছে, তিনি যেন ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বারবার করা দাবির বিষয়ে “নীরবতা ভাঙেন”। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দেশকে জানানো উচিত, সত্যিই কি মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক নিউ ইয়র্কের আদালতে শপথ করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর ট্যারিফ ক্ষমতা ব্যবহার করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে একটি “নাজুক যুদ্ধবিরতি” ও “ভঙ্গুর শান্তি” প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে ভারতের অবস্থান বরাবরই ছিল—এই যুদ্ধবিরতি দুই দেশের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই হয়েছে, কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় নয়।
জয়রাম রমেশ আরও বলেন, “লুটনিকের এই দাবি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও ১১ দিনে ৮ বার তিনটি দেশে করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও একই কথা বলেছেন এবং ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ‘নিরপেক্ষ স্থানে’ আলোচনার কথাও উল্লেখ করেছেন।”
তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী, চুপ থাকবেন না।”
ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে তিনি সাহায্য করেছেন।
ভারত ৭ মে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর আওতায় পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে আঘাত হানে। জবাবে পাকিস্তান ৮, ৯ ও ১০ মে ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা করে, যার জবাবে ভারতও পাল্টা আক্রমণ চালায়। ১০ মে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়।
এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা দাবি উঠলেও, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি ছিল সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ছিল না। ভারতের সামরিক পদক্ষেপেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছিল—এটাই ভারতের অবস্থান।
অন্যদিকে, মার্কিন ও পাকিস্তানি পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন মধ্যস্থতায় ও আন্তর্জাতিক চাপেই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে।
সুতরাং, ভারত সরকার বারবার বলেছে, এই যুদ্ধবিরতি কোনো তৃতীয় পক্ষের নয়, বরং দুই দেশের সেনাপ্রধানদের সরাসরি আলোচনার ফল। প্রধানমন্ত্রী মোদী এই বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি, তবে ভারতের সরকারি অবস্থান স্পষ্ট। PTI ASK DV DV
Category: Breaking News
SEO Tags: #swadesi, #News, Break your silence: Cong to PM on US’ repeated claims about India-Pak ceasefire

