
ওয়াশিংটন, ১০ অক্টোবর (এপি): যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২০০ সেনা ইসরায়েলে পাঠাচ্ছে যাতে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর ও পর্যবেক্ষণ করা যায়। এই দলে অংশীদার দেশ, বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন, মার্কিন কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলেন, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইসরায়েলে একটি “সিভিল-মিলিটারি কোঅর্ডিনেশন সেন্টার” গঠন করবে, যা মানবিক সাহায্য, লজিস্টিকস এবং নিরাপত্তা সহায়তা গাজা অঞ্চলে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া সহজ করবে।
এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে মার্কিন সেনাবাহিনী সরাসরি ভূমিকা রাখবে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধের প্রথম পর্যায়ে সম্মতি হওয়ার পরও অনেক প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে — যেমন হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার এবং গাজায় ভবিষ্যৎ সরকার গঠন।
এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন দলটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন এবং গাজায় বেসামরিক প্রশাসনে রূপান্তর পর্যবেক্ষণ করবে।
প্রায় ২০০ মার্কিন সেনার সমন্বয়ে গঠিত এই কেন্দ্রটি পরিবহন, পরিকল্পনা, নিরাপত্তা, লজিস্টিকস এবং প্রকৌশল বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কাজ করবে। কোনো মার্কিন সেনা গাজায় প্রবেশ করবে না বলে জানানো হয়েছে।
অন্য এক কর্মকর্তা জানান, এই সেনারা সেন্ট্রাল কমান্ডসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাঠানো হচ্ছে। তাদের আগমন শুরু হয়েছে এবং সপ্তাহান্তে বাকি সেনারাও পৌঁছে কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তুতি নেবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টায় বুধবার গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এটি গাজা উপত্যকায় ধ্বংসযজ্ঞ থামানো, হাজার হাজার ফিলিস্তিনির প্রাণহানি রোধ এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা কমানোর পথে এক বড় পদক্ষেপ।
চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েলে আটক বাকি জীবিত জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে, এর বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিকে ইসরায়েল মুক্তি দেবে।
(এপি) আরডি আরডি
বিভাগ: ব্রেকিং নিউজ
SEO ট্যাগস: #swadesi, #News, #যুক্তরাষ্ট্র, #ইসরায়েল, #গাজা, #যুদ্ধবিরতি, #Ceasefire
