নয়াদিল্লি, ৭ আগস্ট (PTI): সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে তিনি সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত ইন-হাউস তদন্ত প্যানেলের রিপোর্ট বাতিল করার অনুরোধ করেছিলেন, যেটিতে তাকে অসদাচরণের দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
১৪ মার্চ রাত প্রায় ১১:৩৫ নাগাদ রাজধানীর ৩০ তুঘলক ক্রেসেন্টে বিচারপতির সরকারি বাংলোতে আগুন লাগে। দমকল বাহিনী আগুন নেভানোর সময় পোড়া টাকার বান্ডিল উদ্ধার করে, যার জেরে তদন্ত কমিটির কড়া রিপোর্ট ও বিচারপতিকে অপসারণের সুপারিশ উঠে আসে।
এই মামলার ঘটনার ধারাবাহিকতা নিচে দেওয়া হলো:
১৫ মার্চ: দিল্লি হাইকোর্টের কর্মকর্তারা প্রধান বিচারপতির নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
১৭ মার্চ: দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় তৎকালীন CJI সঞ্জীব খান্নার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
২০ মার্চ: প্রধান বিচারপতি CJI-র সঙ্গে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন।
২০ মার্চ: ইংরেজি দৈনিক TOI বিচারপতি বর্মার বাসভবনে আধপোড়া টাকা উদ্ধারের খবর প্রকাশ করে। দিল্লি HC CJ CJI-কে গভীর তদন্তের জন্য চিঠি লেখেন।
২১ মার্চ: CJI বিচারপতি বর্মাকে ২২ মার্চ দুপুরের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলেন। সুপ্রিম কোর্ট কলেজিয়াম বিচারপতি বর্মাকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে স্থানান্তরের কথা ভাবতে শুরু করে।
২২ মার্চ: বিচারপতি বর্মা অভিযোগ অস্বীকার করে জবাব দেন। CJI সঞ্জীব খান্না অভিযোগের তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। সুপ্রিম কোর্ট তাদের ওয়েবসাইটে তদন্ত রিপোর্ট, ছবি এবং ভিডিও আপলোড করে।
২৮ মার্চ: বিচারপতি বর্মাকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে স্থানান্তর করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট CJ-কে বিচারপতিকে কোনো বিচারিক দায়িত্ব না দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
৩ মে: সুপ্রিম কোর্ট প্যানেল বিচারপতিকে অসদাচরণের দোষী সাব্যস্ত করে, অপসারণের সুপারিশ করে।
৮ মে: তৎকালীন CJI রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে বিচারপতির অভিশংসনের অনুরোধ জানান, কারণ বিচারপতি বর্মা পদত্যাগে রাজি হননি।
১৭ জুলাই: বিচারপতি বর্মা ইন-হাউস তদন্ত রিপোর্ট বাতিল করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।
২৩ জুলাই: তিনি আবেদনটি দ্রুত শুনানির অনুরোধ করেন।
৩০ জুলাই: সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতির আবেদনের রায় সংরক্ষণ করে।
৭ আগস্ট: সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি বর্মার আবেদন খারিজ করে।

