
নয়াদিল্লি, ৪ জানুয়ারি (পিটিআই):
‘মুলতবির সংস্কৃতি’র সমালোচনা করে দিল্লি হাই কোর্ট জানিয়েছে, নির্বিচারে মুলতবি চাওয়া হচ্ছে এবং এমন একটি ভুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে যে অনুরোধ করলেই মুলতবি মঞ্জুর হবে।
বিচারপতি নীনা বানসাল কৃষ্ণ, আইনজীবীর অনুপস্থিতির কারণে আরোপিত ২০,০০০ টাকা জরিমানা মওকুফের আবেদন শুনছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই প্রবণতা বদলাবে।
এই জরিমানা গত বছরের মে মাসে হাই কোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ আরোপ করেছিল। আদালত জানায়, আবেদনকারীর বক্তব্য অনুযায়ী তাঁর আইনজীবী ট্রায়াল কোর্টের অন্যান্য মামলায় ব্যস্ত থাকায় হাজির হতে পারেননি।
আবেদনকারী আরও বলেন, তাঁর আইনজীবী দুই সন্তানের একক মা এবং জীবনে “বহু সমস্যার” সম্মুখীন।
১০ ডিসেম্বরের আদেশে আদালত বলে, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে আদালতগুলিতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মুলতবির একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে এবং এমন ভুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে যে যে কোনও পরিস্থিতিতে মুলতবি চাওয়া হলেই তা দেওয়া হবে।”
আদালত জানায়, প্রতিপক্ষের আইনজীবী বা আদালতের সময়ের তোয়াক্কা না করেই মুলতবি চাওয়া হচ্ছে।
আদালত বলে, “আইনজীবী তাঁর অনুপস্থিতিকে ব্যক্তিগত সমস্যা বলে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু বাস্তবে এটি ছিল অন্য মামলায় পেশাগত ব্যস্ততা। এটিকে ব্যক্তিগত সমস্যা বলা যায় না।”
আদালত আশা প্রকাশ করে বলে, “এই প্রবণতা প্রশংসনীয় নয়, তবে আশা করা যায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মুলতবি চাওয়ার এই সংস্কৃতি বদলাবে,” এবং ২০,০০০ টাকা জরিমানা মওকুফ করে আবেদন নিষ্পত্তি করে।
পিটিআই
