জলপাইগুড়ি (পশ্চিমবঙ্গ), ১১ জুন (পিটিআই) জলপাইগুড়ি জেলার একটি বিশেষ পকসো (POCSO) আদালত এক নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ ও খুনের দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে।

বিচারক রিন্টু সুর রায়ে বলেন, ভিকটিমের বয়স ছিল অভিযুক্তের মেয়ের সমান, এবং এই অপরাধকে ‘বিরলতমের মধ্যে বিরল’ (rarest of rare) বলে চিহ্নিত করেন। আদালত অভিযুক্ত হরিপদ রায়কে ধর্ষণ ও খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পাশাপাশি, জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে ভিকটিমের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাকে আরও সাত বছরের কঠোর কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

প্রসিকিউশন আইনজীবী দেবাশীষ দত্ত জানান, ২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত তার বাড়ির সামনে থেকে ১১ বছরের নাবালিকাকে অপহরণ করে, ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ওই দিন পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের কারণে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ, এমনকি ভিকটিমের বাবা-জ্যাঠাও সেখানে ছিলেন। সন্ধ্যায় extensive খোঁজাখুঁজির পরও মেয়েটিকে না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। কয়েক দিন পরে স্থানীয় নদীর ধারে একটি বস্তায় মেয়েটির দেহ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে মৃত্যুর প্রমাণ মেলে।

প্রতিবেশী অভিযুক্তকে গ্রামবাসীদের বক্তব্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়।

এই রায়ে আদালত কড়া বার্তা দিয়েছে যে, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তি প্রয়োগ করা হবে।