প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের সামনেই বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুঁড়ে অশান্তি ছড়ায়, এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতা ও RAF-এর বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়, টিয়ার গ্যাস ছোঁড়া হয়। এলাকায় ১৬৩ ধারায় (BNSS) নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি চলছে।
বিজেপি-র বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে বলেন, “রবীন্দ্রনগরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিন্দুদের ওপর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর হয়েছে—পুলিশ কার্যত নিষ্ক্রিয় থেকেছে। বহু পুলিশ কর্মী আহত, গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, অথচ প্রশাসন নির্বিকার।” তিনি জানান, ডিজিপি রাজীব কুমার তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি এবং তিনি হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেন। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিজেপি ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক রং দিতে চাইছে, যদিও এটি স্থানীয় ইস্যু নিয়ে সংঘর্ষ। রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “পরিস্থিতি যেন আরও খারাপ না হয়, সম্প্রীতি বজায় রাখা উচিত। পুলিশ দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে”।
এখনও এলাকায় টানটান উত্তেজনা, বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

