শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যালঘু কমিশন (সংশোধনী) বিল, ২০২৫ নিয়ে আলোচনায় শাসক তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) ও বিরোধী বিজেপি-র বিধায়কদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। বিলটি পেশ করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
আলোচনায় ডেবরা কেন্দ্রের টিএমসি বিধায়ক হুমায়ুন কবির রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং বিজেপি-শাসিত কেন্দ্রকে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তোলেন। তিনি ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন-সহ বিজেপি-শাসিত রাজ্যে খাদ্য, পোশাক ও ধর্মীয় অনুশীলন নিয়ে নজরদারির অভিযোগ করেন।
তাঁর বক্তব্যে “মোদি অনুগামী”-র প্রসঙ্গ উঠতেই বিজেপি সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।
বিজেপি-র চিফ হুইপ শঙ্কর ঘোষ কবিরের বক্তব্য অপসারণের দাবি করেন, একে অবমাননাকর ও সংসদীয় ভাষার পরিপন্থী বলে অভিযোগ তোলেন। কবির অবশ্য বলেন, তিনি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেননি।
মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পাল্টা বলেন, বিজেপি নেতারাও প্রকাশ্যে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেন এবং সম্প্রতি এক বিজেপি নেতা পাগড়িধারী পুলিশ অফিসারকে চপ্পল ছুঁড়ে মারার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। স্পিকার বিমন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তিনি কবিরের বক্তব্য খতিয়ে দেখবেন।
বিলের সংশোধনীতে সংখ্যালঘুদের মধ্যে ধর্মীয়, ভাষাগত ও জাতিগত গোষ্ঠীকে সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়ার ক্ষমতা রাজ্যকে দেওয়া হয়েছে এবং সংখ্যালঘু কল্যাণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
বিলের আওতায় কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান পদে রাজনৈতিক ব্যক্তি নয়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়োগের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘটনা ঘটলে কমিশন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা করে না। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, কমিশন থানার মতো নয়, তবে সংখ্যালঘু বিশেষত নারীদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও বলেন, কমিশন ছয়টি ধর্মীয় ও সাতটি ভাষাগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে কভার করে এবং রাজ্য সরকার সমাজকল্যাণ প্রকল্পে কোনো বিভাজনমূলক নীতি অনুসরণ করে না।
বিল নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কের মধ্যে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে রবীন্দ্রনাথের পৈতৃক বাড়ি ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তোলেন। জবাবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং

