কলকাতা, ২০ জুন (পিটিআই) — কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার শুক্রবার লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ এলাকায় তাঁর কনভয়ের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর জীবনের ওপর ‘গুরুতর হুমকি’ তৈরি হয়েছে এবং এটি সাংসদ হিসেবে তাঁর বিশেষাধিকার লঙ্ঘন।
বৃহস্পতিবার তিনি বজবজ-১ বিডিও অফিসের সামনে বুধবার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেই সময় তাঁর কনভয় ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা স্লোগান তোলে ও পাথর ছোঁড়ে বলে অভিযোগ।
চিঠিতে বালুরঘাটের সাংসদ মজুমদার জানান, তৃণমূল কর্মীদের একটি দল তাঁর কনভয় ঘিরে ধরে, গাড়ি ভাঙচুর করে এবং উপস্থিত অনেককে আহত করে।
তিনি লেখেন, “এই হামলা আমার এবং আমার সঙ্গে থাকা সকলের জীবনের ওপর সরাসরি ও গুরুতর হুমকি।”
মজুমদার আরও অভিযোগ করেন, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার সুপারিনটেনডেন্ট রাহুল গোস্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তিনি কোনো প্রতিরোধমূলক বা সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেননি, যা ‘ইচ্ছাকৃত গাফিলতি’ ও ‘কর্তব্যে অবহেলা’।
তিনি জানান, ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিও-ও তাঁর নির্ধারিত সফরের আগাম খবর থাকা সত্ত্বেও উপস্থিত ছিলেন না।
তিনি আরও লেখেন, “আমার কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা থাকায়, আমার সঙ্গে থাকা সিআইএসএফের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।”
এই ঘটনাকে ‘একজন সাংসদের মর্যাদা ও বিশেষাধিকার’ লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে মজুমদার স্পিকারের কাছে অনুরোধ করেন, বিষয়টিকে ‘কনটেম্পট অফ দ্য হাউস’ হিসেবে বিবেচনা করে কমিটি অফ প্রিভিলেজেসে পাঠানো হোক।
তিনি লেখেন, “এই ঘটনা শুধু একজন জনপ্রতিনিধির জীবনকেই বিপন্ন করেনি, বরং সংসদের সদস্যের মর্যাদা ও বিশেষাধিকারেও সরাসরি আঘাত করেছে। রাজ্য প্রশাসনের এই ধরনের সহিংসতা ও নিষ্ক্রিয়তা আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সাংবিধানিক অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।”
বিজেপি নেতা সোশ্যাল মিডিয়াতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি লেখেন, “গতকাল বজবজ, ডায়মন্ড হারবারে আমি তৃণমূল-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছি, আর @WBPolice নীরব দর্শকের ভূমিকা নিয়েছে। পুলিশ শুধু সহিংসতার সময় নিষ্ক্রিয় ছিল না, আগাম সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমান সাংসদকে লক্ষ্য করে হামলা হলেও রাজ্য প্রশাসন চুপ করে ছিল।”
তিনি আরও লেখেন, “এটি সাংসদীয় বিশেষ

