টেক্সাসে ভয়াবহ বন্যার চার দিন পরও ১৬০-র বেশি মানুষ নিখোঁজ, মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেন্ট্রাল টেক্সাসের কের কাউন্টি, যেখানে গুডালুপে নদীর তীরে অবস্থিত বহু গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প ও ক্যাম্পগ্রাউন্ড প্লাবিত হয়েছে।
বন্যার সূত্রপাত ৪ জুলাই গভীর রাতে, যখন প্রবল বর্ষণে নদীর জলস্তর মাত্র এক ঘণ্টায় ২৬ ফুটেরও বেশি বেড়ে যায়। সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে শতবর্ষ পুরনো অল-গার্লস ক্যাম্প মিস্টিকে, যেখানে অন্তত ২৭ জন শিশু ও কর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও কয়েকজন নিখোঁজ।
সারাদেশের পরিবারগুলো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, উদ্ধারকর্মীরা হেলিকপ্টার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে জীবিতদের খুঁজে চলেছেন, যদিও বেঁচে থাকার আশা ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া কিছু মানুষ গাছের ডালে ঝুলে ছিল, কেউ কেউ জানালা ভেঙে সাঁতরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছায়।
কের কাউন্টি শেরিফ জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলোর মধ্যে অন্তত ৩০ জন শিশু। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কের কাউন্টিকে “মেজর ডিজাস্টার” ঘোষণা করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
বন্যার সময় স্থানীয় প্রশাসনের সতর্কতা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ কের কাউন্টিতে কোনো আধুনিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ছিল না। কিছু ক্যাম্প আগে থেকেই সতর্ক হয়ে ক্যাম্পারদের উঁচু স্থানে সরিয়ে নেয়, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ অপ্রস্তুত ছিল বা হঠাৎ প্লাবনে আটকে পড়ে।
এখনও শতাধিক মানুষ নিখোঁজ, এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বলেছেন, “প্রত্যেক নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না”।
এই বন্যা টেক্সাসের ইতিহাসে শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
Category: ব্রেকিং নিউজ
SEO Tags: #swadesi, #News, টেক্সাসের গভর্নর বলছেন মারাত্মক বন্যার পর ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ

