
মথুরা (উপ্র), ১৭ আগস্ট (পিটিআই) মথুরা ও বৃন্দাবনের মন্দিরগুলো রবিবার আনন্দোৎসবে মুখরিত ছিল। এই উৎসবটি জন্মাষ্টমীর একদিন পর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মের আনন্দ উদযাপন হিসেবে পালিত হয়। বৃন্দাবনের বাঁকে বিহারি মন্দিরের পুরোহিত জ্ঞানেন্দ্র কিশোর গোস্বামী জানান, ব্রজভূমিতে ভক্তির অন্যতম ভিত্তি হলো আনন্দের প্রকাশ।
তিনি বলেন, “দই ও হলুদের মিশ্রণ শিশু কৃষ্ণের দুষ্টুমির প্রতীক। ‘দধিকান্ধা’ নামে পরিচিত এই আচার-অনুষ্ঠানে ভক্তদের ওপর এই মিশ্রণ ছুঁড়ে ফেলা হয়।”
উৎসব চলাকালে খেলনা, পোশাক, গয়না ও টাকা গর্ভগৃহ থেকে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ হিসেবে ছুঁড়ে দেওয়া হয়। এই প্রথা নন্দ বাবার শ্রীকৃষ্ণ জন্মের আনন্দকে স্মরণ করে। দিনের শুরু হয় বাঁকে বিহারি মন্দিরে ‘মঙ্গল আরতি’ ও ‘মহাভিষেক’-এর মাধ্যমে।
মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান মন্দিরে ভাগবত ভবনকে নন্দভবনের মতো সাজানো হয়েছিল। সেখানে গুঞ্জরিত হয়েছিল ‘নন্দ ঘর আনন্দ भयो, জয় কন্যাইয়া লাল কি’ ধ্বনি ও ভজন।
শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা প্রতিষ্ঠান-এর সম্পাদক কপিল শর্মা জানান, ভক্তদের মধ্যে খেলনা, পোশাক, মিষ্টি ও বাসনপত্র প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছিল।
বৃন্দাবনের সপ্ত দেবালয়েও একই ধরনের আচার পালিত হয়।
রাধারমণ মন্দিরে পুরোহিত দিনেশ চন্দ্র গোস্বামী জানান, ভক্তদের ওপর দই ও হলুদ ছিটিয়ে দেওয়া হয় এবং পরে খেলনা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
দ্বারকাধীশ মন্দিরে দেবতাদের নন্দ বাবা ও মা যশোদার রূপে সজ্জিত করা হয়েছিল।
মন্দিরের মিডিয়া ও আইন উপদেষ্টা রাকেশ তিওয়ারি বলেন, “এই উৎসব কৃষ্ণের জন্মে তাঁর পিতামাতার আনন্দকে প্রতিফলিত করে। সেই আনন্দ ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে নানা দ্রব্য বিতরণ করা হয়।”
বিভাগ: ব্রেকিং নিউজ
এসইও ট্যাগস: #স্বদেশি, #সংবাদ, মথুরা-বৃন্দাবন মন্দিরে নন্দোৎসব শ্রীকৃষ্ণ জন্মকে চিহ্নিত করল
