
নয়াদিল্লি, ৭ নভেম্বর (পিটিআই) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার বলেছেন, ‘বন্দে মাতরম্’ আজও দেশবাসীর হৃদয়ে জাতীয়তাবাদের অমর শিখা জ্বালিয়ে রাখে এবং যুব সমাজের মধ্যে ঐক্য, দেশপ্রেম ও নবউদ্যমের উৎস হিসেবে কাজ করে।
এক্স (X)-এ পোস্ট করা বার্তায় শাহ বলেন, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে ‘বন্দে মাতরম্’-এর সৃষ্টির ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বছরব্যাপী উদযাপন। তিনি বলেন, “এই গান কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, এটি ভারতের আত্মার কণ্ঠস্বর।”
তিনি বলেন, “‘বন্দে মাতরম্’ ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং স্বাধীনতার চেতনা জাগিয়ে তুলেছিল। একই সঙ্গে এটি বিপ্লবীদের মধ্যে মাতৃভূমির প্রতি অটুট নিষ্ঠা, গর্ব ও ত্যাগের চেতনা সৃষ্টি করেছিল।”
শাহ বলেন, এই গান আজও জাতীয়তাবাদের অমর শিখা প্রজ্বলিত করে এবং যুব সমাজকে ঐক্য, দেশপ্রেম ও নবউদ্যমে উজ্জীবিত করে।
তিনি বলেন, “আমাদের জাতীয় গান এই বছর ১৫০ বছরে পদার্পণ করছে।” তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান পরিবারের সঙ্গে একত্রে এই গানটির পূর্ণ সংস্করণ গাওয়ার, যাতে এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার কেন্দ্র হয়ে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন এবং স্মারক ডাকটিকিট ও মুদ্রা প্রকাশ করবেন।
এই কর্মসূচি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রেরণা জাগানো ও আজও জাতীয় গৌরব ও ঐক্যের প্রতীক এই সংগীতের বছরব্যাপী স্মরণোৎসবের সূচনা করবে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘বন্দে মাতরম্’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায়।
“পরবর্তীতে বঙ্কিমচন্দ্র এটি তাঁর অমর উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’-এ (১৮৮২) অন্তর্ভুক্ত করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গানটি সুরারোপ করেন। এটি জাতির সভ্যতা, রাজনীতি ও সংস্কৃতির চেতনায় অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশে গেছে,” সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
পিটিআই এবিএস এআরআই
