
চেন্নাই, ২ জানুয়ারি (পিটিআই) ভারতের উদ্দেশ্য যাতে ভুলভাবে ব্যাখ্যা না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশের সাথে ধারাবাহিক ও স্বচ্ছ যোগাযোগের গুরুত্বের ওপর শুক্রবার জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
আইআইটি মাদ্রাজে শিক্ষার্থীদের সাথে এক ঘরোয়া আলোচনায় অংশ নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “মানুষ যাতে আপনাকে ভুল না বোঝে, তার উপায় হলো যোগাযোগ করা। আপনি যদি ভালোভাবে, স্পষ্টভাবে এবং সততার সাথে যোগাযোগ করেন, তবে অন্য দেশ এবং অন্য মানুষ এটিকে সম্মান করে এবং গ্রহণ করে।”
ভারতের সভ্যতার আত্মবিশ্বাসের ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, অনেক জাতি তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করে এবং ভারতেরও তা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তিনি বলেন, “খুব কম প্রাচীন সভ্যতা রয়েছে যা টিকে থেকে আধুনিক জাতি-রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, এবং আমরা তাদের মধ্যে অন্যতম।” তিনি আরও বলেন, ভারতের সচেতনভাবে গণতন্ত্রকে বেছে নেওয়াই গণতন্ত্রকে একটি সার্বজনীন রাজনৈতিক ধারণা হিসেবে রূপ দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা যদি সেই পথে না যেতাম, তবে আমরা যে গণতান্ত্রিক মডেলটি জানি, তা আঞ্চলিক এবং সংকীর্ণই থাকত।”
জয়শঙ্কর জোর দিয়ে বলেন যে বৈশ্বিক শৃঙ্খলা গঠনে পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, জাতিগুলো অভ্যন্তরীণভাবে নিজেদের শক্তিশালী করে এবং তারপর বিশ্বের সাথে যুক্ত হয়ে অবদান রাখে ও উপকৃত হয়।
ভারতের বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যখন আমরা ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বলি, তখন এর অর্থ হলো আমরা বিশ্বকে কখনও এমন শত্রুভাবাপন্ন বা প্রতিকূল স্থান হিসেবে বিবেচনা করিনি যেখান থেকে আমাদের আত্মরক্ষামূলকভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে।”
তিনি বলেন, সীমিত সম্পদ নিয়ে কূটনীতিকে অবশ্যই প্রভাব সর্বাধিক করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, “আজ ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতিতে আমরা যা করার চেষ্টা করি তা হলো সেই সমস্যাটির সমাধান করা… আংশিকভাবে আমাদের প্রতিযোগিতা এবং শক্তি ব্যবহার করে এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে।”
বিভাগ: ব্রেকিং নিউজ
এসইও ট্যাগ: #স্বদেশী, #সংবাদ, ভারতের উদ্দেশ্য ভুল ব্যাখ্যা এড়াতে অন্যদের সাথে যোগাযোগই মূল চাবিকাঠি: জয়শঙ্কর
