আর্কটিক উষ্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে

Greenland

লন্ডন, ১১ জানুয়ারি (দ্য কনভারসেশন)

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর শীর্ষ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে হবে।

তাঁদের দাবি, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন। তাঁদের অভিযোগ, গ্রিনল্যান্ডের অন্তর্ভুক্ত দেশ ডেনমার্ক এই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় যথেষ্ট বিনিয়োগ করছে না।

১৯৫১ সালের ডেনমার্ক–মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি যেকোনো আক্রমণাত্মক মার্কিন দখলের প্রথম শিকার হতে পারে, কারণ চুক্তির দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে।

গত ৭০ বছর ধরে কোপেনহেগেনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে এসেছে—এই বাস্তবতা উপেক্ষা করেই এই বিরোধকে নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

২০২৫ সালের মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে পশ্চিম গোলার্ধে, গ্রিনল্যান্ডসহ, মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। এতে “বড়, ধনী ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর” ইচ্ছা অনুযায়ী বিশ্ব পরিচালনার ধারণা উঠে এসেছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ আর্কটিক সহযোগিতাকে ভেঙে দিয়েছে। ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে, রাশিয়া ঝুঁকেছে চীন ও ভারতের দিকে। আর্কটিক এখন রুশ-এশীয় এবং ইউরো-আমেরিকান ভাগে বিভক্ত।

আর্কটিককে শান্তি ও সহযোগিতার অঞ্চল ভাবার ধারণা এখন আর বাস্তবসম্মত নয়।