
কংগ্রেস নেতা কে সি ভেনুগোপাল বুধবার বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনার বিষয়ে গোটা বিরোধী দল যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দাবির একদিন পর তিনি এ কথা বলেন।
তবে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।
সংসদ ভবন চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভেনুগোপাল বলেন, কংগ্রেস এই প্রস্তাবটি “ইতিবাচকভাবে” বিবেচনা করছে।
তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমার মনে হয়, গোটা বিরোধী দল এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। এটি তৃণমূল কংগ্রেস উত্থাপিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা এটি ইতিবাচকভাবে দেখছি।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেন, “আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করছি না।”
বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রচারের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজধানীতে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার সিইসির অভিশংসনের দাবি তোলেন এবং অন্যান্য বিরোধী দলের সমর্থন চান।
তাঁর এই মন্তব্য আসে সিইসি জ্ঞানেশ কুমার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক থেকে তাঁর প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউটের একদিন পর। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের প্রধান অহংকার দেখিয়েছেন এবং তাঁদের অপমান করেছেন।
এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বলে দাবি করা রাজ্যের মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারা তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক।
সিইসিকে অপসারণের প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির অপসারণ প্রক্রিয়ার মতোই। প্রমাণিত অসদাচরণ বা অক্ষমতার ভিত্তিতেই অপসারণ সম্ভব।
সংসদের যে কোনও কক্ষে অপসারণ প্রস্তাব আনা যেতে পারে এবং তা বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাশ হতে হবে—অর্থাৎ মোট সদস্যসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন।
পিটিআই এও এআরআই
