পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর: বিচারিক আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ মডিউল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি সুপ্রিম কোর্টের

New Delhi: People outside the Supreme Court of India on a winter morning, in New Delhi, Tuesday, Dec. 16, 2025. (PTI Photo/Shahbaz Khan)(PTI12_16_2025_000046B)

নয়াদিল্লি, ২৭ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই) — সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার জানিয়েছে, তারা তাদের বিচারিক আধিকারিকদের চেনে এবং তারা “কোনও কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবেন না”। পশ্চিমবঙ্গ সরকার অভিযোগ করে যে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কাজে নিয়োজিত বিচারিক আধিকারিকদের জন্য নির্বাচন কমিশন একটি প্রশিক্ষণ মডিউল জারি করেছে—এর প্রেক্ষিতেই শীর্ষ আদালত এ মন্তব্য করে।

পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল বিষয়টি প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চের সামনে উত্থাপন করেন।

সিব্বল বেঞ্চকে বলেন, “একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। আপনারা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে সমস্ত প্রক্রিয়া কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং কমিটি নির্ধারণ করবেন। কিন্তু তারা আড়ালে বিচারিক আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে এবং একটি প্রশিক্ষণ মডিউল জারি করেছে, যেখানে বলা হয়েছে তারা কী গ্রহণ করবেন আর কী করবেন না।”

প্রধান বিচারপতি বলেন, রাজ্যে এই কাজে নিয়োজিত বিচারিক আধিকারিকরাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

তিনি বলেন, “এভাবে আমরা শুনতে পারি না। এর একটা শেষ হওয়া দরকার। আমরা আমাদের বিচারিক আধিকারিকদের চিনি, তারা কোনও কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবেন না।” তিনি আরও জানান, কোন কোন নথি বিবেচনায় নিতে হবে তা আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে।

বিচারপতি বাগচী বলেন, “আমাদের নির্দেশ দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট।”

বেঞ্চ জানায়, এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের দেওয়া নির্দেশের বাইরে নির্বাচন কমিশন বা রাজ্য সরকার কেউই যাবে না।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে চলমান টানাপোড়েন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত ২০ ফেব্রুয়ারি এক “অসাধারণ” নির্দেশ দেয়, যাতে রাজ্যের বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনকে সহায়তার জন্য কর্মরত ও প্রাক্তন জেলা বিচারকদের নিয়োগ করা হয়।

২৪ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালত ২৫০ জন জেলা বিচারকের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সিভিল জজদেরও নিয়োগের অনুমতি দেয় এবং ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে বিচারিক আধিকারিক চাওয়ার অনুমোদন দেয়, যাতে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার মুখে থাকা ৮০ লক্ষ দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করা যায়। পিটিআই