রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নেই আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন; সেগুলি অবিলম্বে ঠিক করতে বলল নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে

নতুন দিল্লি, ২৩ জুলাই (PTI) — নির্বাচন কমিশন (EC) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসনের অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে সেগুলি সংশোধন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন বলেছে, নির্বাচন দপ্তরে আলাদা এক জন আর্থিক উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হোক।

উল্লেখ্য, আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কী বলেছে নির্বাচন কমিশন?

কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ১৭ জুলাই একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যে সে লক্ষ্য করেছে —

“বর্তমান ব্যবস্থায়, রাজ্যের CEO সীমিত আর্থিক ক্ষমতা নিয়ে কাজ করছেন এবং রাজ্যের অর্থ দপ্তরের একটি ছোট স্থায়ী অগ্রিম তহবিলের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।”

এছাড়াও কমিশন লক্ষ্য করেছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকে স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিভাগ (Home & Hill Affairs Department) -এর একটি অধীনস্থ শাখা হিসাবে দেখানো হয়েছে, যেখানে ওই বিভাগের প্রধান হলেন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্তরের একজন অফিসার, অথচ CEO নিজে অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি স্তরের কর্মকর্তা

কমিশনের সুপারিশ কী?

  • নির্বাচন কমিশন সুপারিশ করেছে, রাজ্য সরকার যেন নির্বাচন দপ্তরকে সম্পূর্ণ আলাদা দপ্তর হিসেবে গঠন করে, যাতে এর আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা পুরোপুরি CEO-র হাতে থাকে।

  • ওই দপ্তরের জন্য নির্দিষ্ট বাজেট হেড তৈরি করারও পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

  • CEO-কে অন্যান্য দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বা সচিবদের সমতুল্য আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করার কথা বলা হয়েছে।

শূন্যপদ পূরণের নির্দেশ

কমিশন বলেছে,

“আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে, নির্বাচনব্যবস্থায় যথাযথ প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে, মুখ্য নির্বাচনী দপ্তরে শূন্য থাকা অতিরিক্ত/যুগ্ম/উপ-CEO-দের চারটি পদ পূরণ করতে হবে। এই নিয়োগ কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করে করা হোক।”

নির্বাচন কমিশন এই বার্তায় পরিষ্কার করে দিয়েছে — নির্বিঘ্ন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য, CEO-র প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতায়ন অত্যন্ত জরুরি

#স্বদেশী
#সংবাদ
#নির্বাচন_কমিশন
#পশ্চিমবঙ্গ_নির্বাচন
#CEO_স্বায়ত্তশাসন
#রাজ্য_নির্বাচন
#ECtoWB
#BreakingNews